অনলাইন ডেস্ক
রাজশাহী মহানগরে ছড়িয়ে পড়া ১২৩ জন চাঁদাবাজের একটি তালিকা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। এই তালিকায় বিএনপি, জামায়াত এবং আওয়ামী লীগের নেতাদের নামসহ পরিচয়ও রয়েছে। জানা গেছে, এই তালিকার প্রথম দিকে থাকা ২০ জনের নাম পাঠিয়েছে বোয়ালিয়া মডেল থানা। বাকি নামগুলো মহানগরের অন্য থানাগুলো থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তালিকার শুরুতে থাকা ২০ জনের নাম-ঠিকানার একটি তালিকায় বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) স্বাক্ষর রয়েছে। তবে ওসি মোস্তাক আহমেদ দাবি করেছেন, “এই তালিকা আমার না। কে বা কারা স্বাক্ষর করেছে বুঝতে পারছি না।”
নথিপত্রে দেখা গেছে, গত ২১ জুলাই ওসি একটি চিঠিতে লিখেছেন— “জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নকারী চাঁদাবাজদের তালিকা প্রেরণ করা হলো”। এই তালিকায় শুধু একজনের নামের সঙ্গে দলীয় পরিচয় উল্লেখ আছে, অন্যদের নেই।

তালিকায় প্রথমে আছে বড়কুঠি এলাকার পটু বাবুর নাম, যার বিরুদ্ধে গাঁজা ও ফেনসিডিল বিক্রি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এরপর আছে মুরাদ, বিগেন, দিলদার, সুলতান, বনি, টনি, রাসেল, মিলুসহ আরও অনেকের নাম, যাদের বিরুদ্ধে ফুটপাত, বাস, কোচিং সেন্টার, বাড়ি নির্মাণ কিংবা বাজার থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগ রয়েছে।
তালিকায় থাকা কয়েকজন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। যেমন, ইকবাল হোসেন দিলদার বলেন, “এই তালিকা শত্রুতামূলকভাবে তৈরি করা হয়েছে। আমার নামে এমন কোনো অভিযোগ কখনও ছিল না।”
অন্যদিকে, সামসুল হোসেন মিলু বলেন, “আমি চ্যালেঞ্জ করছি— কেউ যদি আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির প্রমাণ দেখাতে পারে, তা হলে আমি দোষ স্বীকার করব।”
