অনলাইন ডেস্ক
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে অনশন শুরু হলেও এখন তা নিয়ে বিভাজন তৈরি হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অনশনে রাজনৈতিক সংগঠন ও বহিরাগত সমন্বয়কারীরা জড়িয়ে পড়ায় আন্দোলন স্বচ্ছতা হারিয়েছে। তাদের মতে, এটি শিক্ষার্থীদের দাবি নয়, বরং রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।
গত ১৭ আগস্ট নয়জন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের সামনে আমরণ অনশন শুরু করেন। পরে আরও কয়েকজন যোগ দিলেও ইতিমধ্যেই অনশন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।
প্রশাসন ছাত্র সংসদের জন্য আইন প্রণয়নে ১০ দিনের সময় চেয়েছে এবং ইউজিসি ইতোমধ্যে এ বিষয়ে বৈঠকের তারিখও দিয়েছে। কিন্তু এর পরও সমন্বয়করা অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে যে তাদের উদ্দেশ্য আসলেই কি ছাত্র সংসদ নির্বাচন, নাকি প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে প্রভাব খাটানো।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, যৌক্তিক দাবি থাকলেও দাবি আদায়ের পথ যেন অযৌক্তিক না হয়। তাদের মতে, এখনকার অনশন বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করছে।
একজন শিক্ষক বলেন, আন্দোলন করা শিক্ষার্থীদের অধিকার, তবে যদি এর আড়ালে অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকে, তবে সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ক্ষতিকর হবে।
প্রক্টর ড. ফেরদৌস রহমান জানিয়েছেন, ছাত্র সংসদের নীতিমালা ইতোমধ্যে প্রক্রিয়াধীন। উপাচার্য ১০ কর্মদিবসের মধ্যে কার্যক্রম শুরুর আশ্বাস দিয়েছেন। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত এই প্রতিশ্রুতিকে সময় দেওয়া।
