অনলাইন ডেস্ক
মানি লন্ডারিং (অর্থপাচার) আইনে করা মামলায় বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান খায়রুল বাশারকে ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই আদেশ দেন। এর আগে দুপুরে পুলিশ বাশারকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গতকাল সোমবার ঢাকার ধানমণ্ডি এলাকা থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) বাশারকে গ্রেপ্তার করে। চলতি বছরের ৪ মে গুলশান থানায় এই মামলাটি করে সিআইডি। মামলাটি তারাই তদন্ত করছে।
বিদেশে উচ্চশিক্ষার নামে প্রতারণা
সিআইডি জানায়, ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাশার তাঁর স্ত্রী খন্দকার সেলিমা রওশন এবং ছেলে আরশ ইবনে বাশারকে নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্র গড়ে তোলেন।
তাঁরা শিক্ষার্থীদের বিদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, স্কলারশিপ ও ভিসার আশ্বাস দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। বিজ্ঞাপন, ভুয়া প্রতিনিধিত্ব এবং মিথ্যা ভিসা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রতারিত করা হতো।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে আদৌ কোনো আবেদনই করা হয়নি। কেউ কেউ বিদেশে গিয়েও বিভিন্নভাবে প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
শত শত শিক্ষার্থী প্রতারিত
সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৪৪৮ জন ভুক্তভোগী তাঁদের প্রতারণার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
ইতিমধ্যে কয়েকজন ভুক্তভোগী থানায় মামলা করেছেন। বাশার ও তাঁর পরিবার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে জমা রাখতেন, পরে সেই টাকা তুলে জমি কেনা, ব্যবসা চালানো এবং বিদেশে অর্থ পাঠানোর কাজে ব্যবহার করতেন।
