অনলাইন ডেস্ক
স্ত্রীর স্বীকৃতি চেয়ে স্বামীর বাড়িতে অনশন করছেন সুমি আক্তার নামের এক তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার হিরিভিটা গ্রামে। অনশনরত সুমি একই উপজেলার ভিতরগাঁও গ্রামের ফজলুল হকের মেয়ে।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকেলে হিরিভিটা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সুমি আক্তার বাড়ির সামনে বসে আছেন। খবর পেয়ে তার শ্বশুর, শাশুড়ি ও স্বামীর পরিবারের সদস্যরা ঘরে তালা দিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যান।
সুমি আক্তার জানান, ২০২৩ সালে তিন লাখ টাকা কাবিনে পারিবারিক সম্মতি ছাড়াই তিনি ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক হানিফ মিয়াকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা ময়মনসিংহ শহরের সানকিপাড়ায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং দাম্পত্য জীবন ভালোই চলছিল। কিন্তু সুমির পরিবার গরিব হওয়ায় তার স্বামীর পরিবার এ বিয়ে মেনে নেয়নি। প্রায় দুই বছর একসঙ্গে থাকার পর, হানিফ তার পরিবারের চাপ সহ্য করতে না পেরে সুমিকে রেখে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
সুমি আরও জানান, উপায় না পেয়ে তিনি স্বামীর বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অবস্থান নেন। তখন তার শ্বশুর-শাশুড়ি তাকে মারধর করে ঘর থেকে বের করে দেন এবং প্রধান ঘরে তালা দিয়ে বাড়ি ছেড়ে যান।
হানিফ মিয়া ও তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি। ফোনে যোগাযোগ করেও সাড়া মেলেনি।
বর্তমানে অসহায় সুমি নিজ বাড়িতেও ফিরতে পারছেন না, আবার স্বামীর স্বীকৃতিও পাচ্ছেন না। তিনি প্রশাসনের দ্রুত সহযোগিতা চেয়েছেন।
পূর্বধলা থানার ওসি মো. নুরে আলম বলেন, এখনো কোনো পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
