অনলাইন ডেস্ক
গাজীপুরে ভোটারের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হওয়ায় সেখানে একটি সংসদীয় আসন বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের কারিগরি কমিটি। অন্যদিকে, বাগেরহাটে ভোটার কম হওয়ায় সেখানে একটি আসন কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
তিনি বলেন, “যেসব আসনে সবচেয়ে বেশি ভোটার আছে, সেখানে একটি করে আসন বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে কারিগরি কমিটি। আবার যেখানে সবচেয়ে কম ভোটার, সেসব আসন থেকে একটি করে কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, বিশেষজ্ঞ ও কারিগরি কমিটি মোট ৪২টি সংসদীয় আসনের সীমানা নতুন করে নির্ধারণের সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন ৩৯টি আসনের সীমানা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতি আসনে গড়ে ৪ লাখ ২০ হাজার ৫০০ জন ভোটার ধরে এই হিসাব করা হয়েছে। এ অনুযায়ী, গাজীপুরে আসন বাড়বে এবং বাগেরহাটে আসন কমবে।
যেসব আসনের সীমানা নতুন করে নির্ধারণ করা হচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে:
পঞ্চগড়-১ ও ২, রংপুর-৩, সিরাজগঞ্জ-১ ও ২, সাতক্ষীরা-৩ ও ৪, শরীয়তপুর-২ ও ৩, ঢাকা-২, ৩, ৭, ১০, ১৪ ও ১৯, গাজীপুর-১, ২, ৩, ৫ ও ৬, নারায়ণগঞ্জ-৩, ৪ ও ৫, সিলেট-১ ও ৩, কুমিল্লা-১, ২, ১০ ও ১১, নোয়াখালী-১, ২, ৪ ও ৫, চট্টগ্রাম-৭ ও ৮, বাগেরহাট-২ ও ৩, খুলনার কিছু আসন।
এই আসনগুলোর বিষয়ে কেউ আপত্তি জানালে তা যাচাই-বাছাই শেষে ১০ আগস্ট চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে।
ইসি আনোয়ারুল আরও বলেন, সংবিধানের ১১৯ থেকে ১২৪ ধারা অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচনের আসন সীমানা নির্ধারণের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। এই কাজে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০২২ সালের জনশুমারির তথ্যও এতে ব্যবহার করা হয়েছে।
