অনলাইন ডেস্ক
যশোরের পুলেরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল সদর উপজেলার ভাতুড়িয়া হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩২৯ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ৪৮ জন শিক্ষার্থী রসায়নে ফেল করে। কারণ, ওই কেন্দ্র থেকে রসায়নের ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বর পাঠানো হয়নি।
ফল প্রকাশের তিন দিন পর, রোববার (১৩ জুলাই) ফল সংশোধন করা হলে দেখা যায়—অনেকেই জিপিএ-৫ পেয়েছে।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. আবদুল মতিন বলেন, রসায়নের ব্যবহারিক নম্বর অনলাইনে পাঠানোর নিয়ম রয়েছে। কেন্দ্র থেকে নম্বর আদৌ পাঠানো হয়েছিল কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মতবিরোধ ছিল। নম্বর ছাড়াই ফল প্রকাশ করায় ওই ৪৮ জনের রসায়নে ফেল দেখায়।
তিনি আরও জানান, পরে বিষয়টি বোর্ডে জানানো হলে দ্রুত ফল সংশোধন করে দেওয়া হয়। সংশোধিত ফলে সবাই কৃতকার্য হয়েছে।
জানা গেছে, ওই কেন্দ্র থেকে মোট ছয়টি বিদ্যালয়ের ৩২৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ৪৮ জনই অকৃতকার্য হয়। ফল বিশ্লেষণ করে শিক্ষকরা বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং বিষয়টি কেন্দ্র সচিবকে জানান। পরে কেন্দ্র সচিব যশোর শিক্ষা বোর্ডে চিঠি পাঠান।
সংশোধিত ফলে জিপিএ-৫ পাওয়া মিয়ারাজ ইসলাম জানান, আগের ফলাফলে আটটি বিষয়ে জিপিএ-৫, একটি বিষয়ে এ এবং রসায়নে ফেল দেখায়। এতে মা-বাবা ও পরিবারের সবাই ভীষণ কষ্টে ছিলেন। নতুন ফলাফলে জিপিএ-৫ পাওয়ায় সবাই খুব খুশি।
